শাইখ সালেহ ইবন ফাউযান আল-ফাউযান যাবতীয় প্রশংসা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের যিনি সমগ্র জাহানের প্রতিপালক, আর সালাত ও সালাম নাযিল হোক আমাদের প্রাণ-প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর, তার পরিবার-পরিজন ও সাথী-সঙ্গীদের উপর এবং তাদের উপর যারা তার … Continue reading
Category Archives: মানহাজ
শেয়ার ব্যবসা ~ ইসলামী অর্থনীতি
(ডাউনলোড লিঙ্কে রাইট বাটন ক্লিক করে সেভ করুন। )
Source: icdbd.org
মুহররম ও আশুরার ফজিলত
This gallery contains 2 photos.
মুহররম, একটি মহান বরকতময় মাস। হিজরি সনের প্রথম মাস । এটি ‘আশহুরে হুরুম’ তথা হারামকৃত মাস চতুষ্টয়ের অন্যতম। আশহুরে হুরুম সম্বদ্ধে আল্লাহ তাআলা বলেন, নিশ্চয় মাসসমূহের গণনা আল্লাহর কাছে বার মাস আল্লাহর কিতাবে, (সেদিন থেকে) যেদিন তিনি আসমান ও … Continue reading
রাসূলুল্লাহ ﷺ যেভাবে হজ করেছেন
রাসূলুল্লাহ ﷺ যেভাবে হজ করেছেন[1] (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন) ১- জাবের রা.[2] বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ মদীনায় বসবাসকালে দীর্ঘ নয় বছর পর্যন্ত হজ করেননি।[3] ২- হিজরী দশম বছরে চারিদিকে ঘোষণা দেয়া হল, রাসূলুল্লাহ ﷺ এ বছর[4] হজ করবেন। ৩- … Continue reading
আপনার হজ কিভাবে মাবরূর হবে
This gallery contains 1 photo.
হজ একটি মহান ও বিরল সৌভাগ্যমন্ডিত ইবাদত। সবার কপালে এ হজের তাওফীক হয় না। একদিকে হাজারো লোকের অর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যেমন হজ করার সৌভাগ্য হয় না। অন্যদিকে আর্থিক সামর্থ্য না থাকলেও স্রেফ কপালগুণে অনেকে আল্লাহর ঘরের অতিথি হন। সবার … Continue reading
ইসরা ও মেরাজ : কোরআন-হাদিসের দৃষ্টিভঙ্গি
ইসরা ও মেরাজ : ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি : মেরাজ সংক্রান্ত নানা বেদআত কুসংস্কার-অপবিশ্বাস আমাদের সমাজে ইসলামের ইবাদতের মৌলিক অনুষঙ্গ হিসেবে ছড়িয়ে আছে। মেরাজ কি ? ইসরা কি ? -এ রাতে কী ঘটেছিল ? আদৌ এতে এবাদত হিসেবে কোন কর্মের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে কি-না ? – ইত্যাদি বিষয়ে অনুসন্ধিৎসু একটি নিবন্ধ। পাঠককে আকর্ষণ করবে সন্দেহ নেই। Continue reading
আদর্শিক নির্বাসিতদের জন্য শুভ সংবাদ
َنْ أبِيْ هُرَيْرَةَ -رَضِيَ اللهُ عَنْهُ- قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ – صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سِلَّمَ- بَدَأَ الِإسْلَامُ غَرِيْبًا، وَ سَيَعُوْدُ كَمَا بَدَأَ غَرِيْبًا، فَطُوْبَى لِلْغُرَبَاءَ. رواه مسلم আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেছেন, ইসলামের সূচনা … Continue reading
বিংশ শতকের জাহেলিয়াত – ডঃ আবু আমিনাহ্ বিলাল ফিলিপস্-২
যে মতবাদে মানুষের যুক্তিবুদ্ধিকে আল্লাহর ওহীর উপর স্থান দেয়া হয় তাকে বলা যায় যুক্তিবাদ। মডার্নিজম বা মডার্নিস্ট মুভমেন্ট যুক্তিবাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এই চিন্তাধারায় মানুষ ইসলামকে বিংশ শতাব্দির জন্য উপযোগী করে তুলতে নতুন করে ব্যাখ্যা করতে চায়। এরকম বহু লোক পাওয়া যাবে তা সে মোহাম্মদ আবদুহুই হোক বা স্যার সৈয়দ আহমেদই হোক। সারা বিশ্বে কিছু লোক তাদের ভাষণে বা বইয়ে কয়েক শতাব্দি ধরে জেনে আসা ইসলামী শরীয়তের মূলনীতিগুলো অস্বীকার করে বসছে। তারা সেসবের এমন সব ব্যাখ্যা দাঁড় করাচ্ছে যে তা সেগুলোকে বাতিল করারই সমতুল্য। তাদের প্রিয় একটি বিষয় হচ্ছে ইসলামের বহুবিবাহ। Continue reading
বিংশ শতকের জাহেলিয়াত – ডঃ আবু আমিনাহ্ বিলাল ফিলিপস্-১
সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং তাঁর সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ওপর বর্ষিত হোক শান্তি ও কল্যাণ এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারাই সত্যের পথ অবলম্বন করবে তাদের ওপর (শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক)।
১৪০০ বছর আগে যখন ইসলামের আবির্ভাব হয় তখনকার সময়কে বলা হত জাহেলিয়াত। মানুষ জাহেলিয়াত ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করত। ইসলামপূর্ব বা অনৈসলামিক চিন্তাচেতনা ও ভুলত্রুটিকে জাহেলিয়াতের অংশ মনে করা হত। জাহেলিয়াতের শাব্দিক অর্থ ‘অজ্ঞতা’ যা আরবী জাহ্ল শব্দ থেকে এসেছে। তবে এক্ষেত্রে অজ্ঞতা বলতে নিরক্ষরতা বোঝানো হতো না। সেসময় আরবে মুখে মুখেই বেশীর ভাগ কাজ সম্পন্ন হত। সমাজ-সভ্যতা গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞানের অভাবও জাহেলিয়াত নয়। আমরা জানি আরব উপদ্বীপে এ ধরনের জ্ঞান ছিল যা সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সেসবের চিহ্ন আমরা উত্তর ও দক্ষিণ আরবে দেখতে পাই। জাহেলিয়াতের প্রকৃত অর্থ মানুষের জীবনে আসমানী বিধানের অনুপস্থিতি। সেই আরবরা বংশপরম্পরায় নিজেদের তৈরি নিয়মকানুন বা প্রথার অনুসারী ছিল। ইসলাম সে মুহূর্তে জীবনযাপন, সমাজ ও জাতি গঠনের স্বর্গীয় দিকনির্দেশনা নিয়ে এসেছিল।
আমরা যদি আজকের মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকাই তাহলে বুঝতে পারব আমরা আসমানী বিধান আগমনের পূর্বাবস্থায় ফিরে গেছি, বর্তমানে আমরা জাহেলিয়াতের মধ্যে বাস করছি। অধিকাংশ মুসলিমই কুরআন ও সুন্নাহ এই দুই আসমানী বিধান দ্বারা পরিচালিত নয়। আমরা আমাদের নিজেদের তৈরী কিংবা বংশপরম্পরায় প্রাপ্ত ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতির অনুসারী। আমাদের রীতিনীতিগুলোও অন্যান্য জাতি থেকে ধার করা। এজন্য আজকের মুসলিমরা বিংশ শতকেও কুরআন- সুন্নাহর জ্ঞানহীন জাহেলিয়াতে অবস্থান করছে।
বাকিটুকু পড়ুন … … ….
আল্লাহর পথে দাওয়াত – সুন্নাতের আলোকে দাওয়াত: ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর – ৫
This gallery contains 2 photos.
ইবাদত পালনে সুন্নাতের গুরুত্ব:সুন্নাতের অর্থ ও পরিচয় সুন্নাত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো: মুখ, ছবি, প্রতিচ্ছবি, প্রকৃতি, জীবন-পদ্ধতি, কর্মধারা ইত্যাদি। সাধারণভাবে সুন্নাত বলতে আমরা বুঝি ফরজ ও ওয়াজিবের পরবর্তী পর্যায়ের নেককর্ম যা করা অত্যাবশ্যকীয় নয়, তবে উচিত, উত্তম ও প্রয়োজনীয়। তবে … Continue reading
আল্লাহর পথে দাওয়াত – দাওয়াতের ক্ষেত্রে ভুলভ্রান্তি: ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর – ৪
This gallery contains 1 photo.
বিভিন্ন অজুহাতে এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা অনেক সময় আমরা বিভিন্ন অজুহাতে দাওয়াতের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে থাকি। কখনো মনে করি, বলে আর কি হবে, ওরা তো শুনবে না। কখনো ভাবি, আখেরি জামানা, এখন আর বলে লাভ নেই। এ সকল … Continue reading
আল্লাহর পথে দাওয়াত -দাওয়াতের শর্ত ও দায়ীর গুণাবলী: ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর -৩
আল্লাহর পথে দাওয়াত : ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর -১ এবং আল্লাহর পথে দাওয়াত :পুরস্কার ও শাস্তি- ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর -২ এই দুই পোস্টের আলোচনা আলোচনা থেকে আমরা নসিহত, প্রচার, ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ এককথায় আল্লাহর পথে দাওয়াতের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে … Continue reading
আল্লাহর পথে দাওয়াত : পুরস্কার ও শাস্তি- ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর -২
সৎকার্যে আদেশ ও অসৎকার্যে নিষেধ, দাওয়াত, দীন প্রচার বা দীন প্রতিষ্ঠার করা মুমিনের জন্য একটি বড় ইবাদত। এ ইবাদত পালন করলে মুমিন নামাজ, রোজা ও অন্যান্য ইবাদত পালনের ন্যায় সাওয়াব ও পুরস্কার লাভ করবেন। অবহেলা করলে অনুরূপ ইবাদতে অবহেলার শাস্তি তার প্রাপ্য হবে। তবে এক্ষেত্রে লক্ষনীয় যে, কোরআন হাদিসে দাওয়াত বা আদেশ নিষেধের এই ইবাদতের জন্য অতিরিক্ত পুরস্কার ও শাস্তির কথা জানানো হয়েছে। পুরস্কারের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় লক্ষনীয়: ১. সর্বোচ্চ পুরস্কার, ২. অন্যান্য অনেক মানুষের কর্মের সমপরিমাণ সাওয়াব ও ৩. জাগতিক গজব ও শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়া। Continue reading
আল্লাহর পথে দাওয়াত : ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর -১
আল্লাহর পথে আহবান করতেই নবী-রাসূলগণের পৃথিবীতে আগমন। মুমিনের জীবনের আন্যতম দায়িত্ব এই দাওয়াত। কোরআনুল কারিমে এ দায়িত্বকে কখনো দাওয়াত, কখনো সৎকার্যে আদেশ ও অসৎকার্যে নিষেধ, কখনো প্রচার, কখনো নসিহত ও কখনো দীন প্রতিষ্ঠা বলে অভিহিত করা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসের আলোকে এ কাজের গুরুত্ব, এর বিধান, পুরস্কার, এ দায়িত্ব পালনে অবহেলার শাস্তি, ও কর্মে অংশগ্রহণের শর্তাবলী ও এর জন্য আবশ্যকীয় গুণাবলী আলোচনা করেছি এই পুস্তিকাটিতে। এ বিষয়ক কিছু ভুলভ্রান্তি, যেমন বিভিন্ন অজুহাতে এ দায়িত্বে অবহেলা, ফলাফলের ব্যস্ততা বা জাগতিক ফলাফল ভিত্তিক সফলতা বিচার, এ দায়িত্ব পালনে কঠোরতা ও উগ্রতা, আদেশ, নিষেধ বা দাওয়াত এবং বিচার ও শাস্তির মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, আদেশ নিষেধ বা দাওয়াত এবং গীবত ও দোষ অনুসন্ধানের মধ্যে পার্থক্য ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করেছি। সবশেষে এ ইবাদত পালনের ক্ষেত্রে সুন্নাতে নববী এবং এ বিষয়ক কিছু ভুলভ্রান্তির কথা আলোচনা করেছি।
Continue reading
মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি
This gallery contains 1 photo.
ইসলামী শরীয়তের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে, ভালো কাজের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং খারাপ ও মন্দ কাজের পরিণতি হতে তাদের হেফাজত করা। মানুষ যাতে কোন খারাপ কাজে লিপ্ত না হয় তার জন্য তাদের সতর্ক ও সংশোধন করা। এ কারণেই মানুষের কাজের হিসাব নেয়া ও তা পর্যালোচনার গুরুত্ব অপরিসীম। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ করতে নিষেধ করার মর্যাদা ও গুরুত্ব আল্লাহ তা‘আলার নিকট অধিক। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ হতে নিষেধ করা সমাজ সংশোধনের চাবিকাঠি ও সামাজিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সফলতার অন্যতম উপকরণ। একটি মুসলিম সমাজে এর প্রয়োজন এত তীব্র যে, বলতে গেলে এরই মাধ্যমে মুসলিমের ঈমান-আক্বীদার সংরক্ষণ হয়। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজকে সমাজ থেকে প্রতিহত করা না হলে, ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত কঠিন। সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার মাধ্যমেই এ উম্মতকে ভোগবাদের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করা ও শুধু প্রবৃত্তির গোলামী ও দাসত্ব করা হতে হেফাযত করা যেতে পারে। উম্মতের অসংখ্য লোক যারা তাদের প্রবৃত্তি ও ভোগের তাড়নায় বিভিন্ন প্রকার অন্যায়, অশ্লীল ও খারাপ কাজে জড়িত হয় এবং খারাপ পরিবেশে যাতায়াত করে, এর মাধ্যমেই তাদেরকে প্রবৃত্তির অন্ধানুকরণ ও ভোগবাদিতা হতে সুরক্ষা করা সম্ভব হয়। Continue reading