উনবিংশ শতাব্দীতে ভারতে বেরেলভী গোষ্ঠীর যাত্রা শুরু হয়। তারা মুলত বৃটিশদের দ্বারা সৃষ্ট তাদের পদলেহী, ইসলাম ধর্মের নামে ইসলাম বিরোধী এক ভ্রান্ত সম্পদায়। ভারতে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ অনেকদেশে এই মতবাদের অনুসারী রয়েছে। শাইখ মতিউর রহমান … Continue reading →
ডাউনলোড লিঙ্ক: প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব তৃতীয় পর্ব রাইট বাটন ক্লিক করে সেভ করুন। তাওহীদের গুরুত্ব এর উপর শাইখ সালেহ বিন ফাওযান আল ফাওযান এর লেকচারটি বিনামূল্য অডিও সিডি আকারে বাঙালি কমিউনিটতে সরবরাহ করেতে পারেন। CalltoIslam.com
ইচ্ছা বা চাওয়ার ক্ষেত্রে তাওহীদ (তাওহীদুল উলুহিয়্যা) [প্রথম পর্ব: আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের আকীদার সংক্ষিপ্ত মূলনীতি] [দ্বিতীয় পর্ব: আকিদার মূলনীতিঃ জ্ঞান ও বিশ্বাস বিষয়ক তাওহীদ] ১. আল্লাহ এক, একক। তাঁর রুবুবিয়্যাত, উলুহিয়্যাত, নামসমূহ এবং গুণসমূহে কোন শরীক নেই। তিনি সকল … Continue reading →
পর্ব ১: ইসলাম : একটি ধারণা ! পর্ব ২ : সংঘাত অথবা সংঘাত নয়? পর্ব ৩ : মৌলবাদীদের অদ্ভুত ব্যাপার পর্ব ৪ : এ সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই! শেখ আবদুর রহিম গ্রীন আল্লাহ কুরআনে সাধারণভাবে সমগ্র মানবজাতির প্রতি এবং বিশেষভাবে … Continue reading →
তাহলে কি সেই প্রমাণ যা ইসলাম দৃঢ় প্রত্যয় উৎপাদনকারী হিসাবে উপস্থাপন করে? প্রথম বিচার্য বিষয় হচ্ছে বিশুদ্ধতা। পাঠ্যাংশের বিশুদ্ধতা সমগ্র “ভাণ্ডারের” মমার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ একবার যদি কোন পাঠ্যাংশ কোন তাত্ত্বিক বা রাজনৈতিক যুক্তিযুক্ততা সিদ্ধ করার জন্য বিকৃত বা পরিবর্তিত করা হয়, এবং যদি বিকৃতি থেকে বিশুদ্ধকে পৃথক করার কোন নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি না থাকে, তাহলে পাঠ্যাংশে এমন কোন অনুচ্ছেদ পাওয়া যাবে না যা প্রশ্নাতীত। বিশুদ্ধ ও সংরক্ষিত বিষয়বস’র ক্ষেত্রে এটা ততটা সহজ নয়। খৃষ্টান মৌলবাদীরা এটা ভালই জানে। যদি এটা “আল্লাহর বাণী” না হয়, তবে পথ নির্দেশনা হিসাবে এর কোন মূল্য আছে জ্ঞানের সংকলন হওয়া ব্যতীত? খুব কমসংখ্যক সত্যিকার পণ্ডিত লোকই, এমনকি ইসলামের প্রতিপক্ষের মধ্যে থেকেও, কুরআনের ঐতিহাসিক বিশুদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক করার প্রয়াস পেয়েছেন। আসলে এটা একটা অর্থহীন পণ্ডশ্রম ছাড়া আর কিছুই হবে না, কারণ যে কেউ প্রাক্তন সোভিয়েট ইউনিয়নের তাশখন্দে ভ্রমণ করতে প্রস্তুত থাকবে, সেখানে নবী (সঃ) এঁর সাহাবী কুরআনের লেখক জায়েদ ইবনে সাবিত এর স্বহস্তে লিখিত কুরআনের সম্পূর্ণ কপি দেখতে পাবে, যা নবী (সঃ) এঁর মৃত্যুর দুবছরের মধ্যে প্রথম খলিফা আবু বকরের আদেশে লেখা হয়েছিল। তাশখন্দের পাণ্ডুলিপিটি জায়েদের লেখা প্রথম পাণ্ডুলিপির নকল, যা জায়েদেরই নিজের হাতে করা Continue reading →
মুসলিম বিশ্ব বর্তমানে প্রতিযোগী জাতি-রাষ্ট্রসমূহের জোড়াতালি বিশেষ, যেগুলি এমন সব বিচার বিভাগীয় ও রাজনৈতিক পদ্ধতি দ্বারা শাসিত যা কোনক্রমেই “ইসলামী” বলা যায় না। নিঃসন্দেহে অধিকাংশ দেশেই আল্লাহ তাঁর রাসূলের কাছে যা অবতীর্ণ করেছেন তার বিরোধী আইন বিদ্যমান। মনে হয় এসব জাতিগুলির একমাত্র ইসলামী বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই যে তাদের মধ্যে মুসলিম রয়েছে। মুসলিম বিশ্বের এক বিরাট অংশ গত প্রায় দুইশত বছর যাবত কোন না কোন ইউরোপীয় শক্তির শাসনাধীনে বা সংরক্ষণে ছিল, যারা ধীরে ধীরে শরীয়াকে (ইসলামী আইন) বিভিন্ন পশ্চিমা পদ্ধতিতে প্রতিস্থাপন করেছে। তথাকথিত “স্বাধীনতা” পাওয়ার পরও এ সমস্ত বহিরাগত রাজনৈতিক ও বিচার বিভাগীয় পদ্ধতিসমূহ রয়ে গেছে অথবা অন্য কোন পশ্চিম-প্রভাবিত সংকর দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তুরস্কের আতাতুর্কের “জাতীয়তাবাদ”, ইরাক ও সিরিয়ার ‘বাথবাদ”, মিশরের জামাল আবদুন নাসেরের “প্যান আরব জাতীয়তাবাদী সমাজতন্ত্র”, এবং এর বিভিন্ন প্রজাতি যেমন গাদ্দাফীর“ইসলামী সমাজতন্ত্র”। এসমস্ত আন্দোলনসমূহ তাদের লক্ষ্যের সাথে সঙ্গত মনে হলেই অবাধে “ইসলামী” শ্লোগান ব্যবহার করে চলছে। সাধারণ জনতা নতুন পাওয়া “স্বাধীনতার” উৎসাহে উদ্দীপ্ত, এবং তা রক্ষা করার জন্য তাদেরকে বলা হয় যে তাদেরকে অবশ্যই “আধুনিক” হতে হবে। তথাকথিত “বুদ্ধিজীবী”দের কাছে এর অর্থ হচ্ছে অতীতের সবকিছুই বর্জন করা এবং নতুন সবকিছুকেই গ্রহণ করা। এভাবেই “মডার্নিস্ট” আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে, মোহাম্মদ আবদুহু এর মত লোকেরা যার নেতৃত্বে ছিলেন, যে আন্দোলন নবী (সঃ) এঁর সমস্ত অলৌকিক ঘটনাবলীকে এবং এমনকি ইবাদতের বহু মৌল কর্মকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে। প্রথমবারের মত রিবা (সুদ) বৈধ (?) ঘোষণা করা হয় এবং পশ্চিমা পোশাক ও জীবনযাত্রাকে উৎসাহিত করা হয়। ব্যক্তিগত ইজতিহাদ (বিচারের যুক্তি) ও আয়াতের ব্যাখ্যার ব্যাপারে মুসলিম আলিম সমাজের প্রচলিত পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে তারা এসব কিছুকেই গ্রহণযোগ্য করার প্রচেষ্টা চালান। Continue reading →
ইসলাম বিনষ্টকারী বস্তু সমূহ ইসলামকে বিনষ্ট করে এমন বস্তু দশটি : এক : আল্লাহর ইবাদাতে কাউকে শরিক বা অংশীদার করা। আল্লাহ বলেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ইবাদাতে তার সাথে কাউকে শরিক বা অংশীদার মানাকে ক্ষমা করবেন না, এছাড়া যা কিছু আছে তা … Continue reading →
লেখক: শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া
অনুবাদ:আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে মাধ্যম মানার ব্যাপারটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। সৃষ্টি ও স্রষ্টার মাঝে মাধ্যম বলতে কি বুঝায়, এ ব্যাপারে মানুষ তিনটি দলে বিভক্তঃ
একঃ একদল হচ্ছে তারা যারা শরীয়ত প্রণেতা হিসাবে প্রেরিত একমাত্র মাধ্যম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কেও মানতে নারাজ, বরং তারা দাবী করছে, – আর কত জঘন্যই না তাদের এ দাবী – যে, শরীয়ত শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের জন্য, উপরন্ত তারা এ শরীয়ত কে “ইলমে জাহীর” বা প্রকাশ্য বিদ্যা হিসাবে নামকরণ করেছে, তারা তাদের ইবাদতের ক্ষেত্রে কতেক বাজে চিন্তা-ধারণা ও কুসংস্কারকে গ্রহণ করে “ইলমে বাতেন” বা গোপন বিদ্যা নামে চালু করেছে, আর এর দ্বারা যা অর্জিত হয় তার নাম দিয়েছে (কাশ্ফ)। মূলত তাদের এই কাশ্ফ ইবলীশি কুমন্ত্রণা আর শয়তানী মাধ্যম ছাড়া কিছুই নয়, কারণ এটা ইসলামের সাধারণ মুলনীতির পরিপন্থী, এ ব্যাপারে তাদের দলগত শ্লোগান হলোঃ এ কথা (আমার মন আমার রব থেকে সরাসরি বর্ণনা করেছে)।
দুইঃ যারা মাধ্যম সাব্যস্ত করতে গিয়ে সীমালংঘন করেছে, আর মাধ্যমের ভুল ব্যাখ্যা করে এর উপর এমন কিছু জিনিস চাপিয়েছে, যা চাপানো কক্ষনো জায়েয নয়। তারা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং অন্যান্য নবী ও নেক্কার ব্যক্তিবর্গকে এমনভাবে মাধ্যম মানতে শুরু করেছে যে তাদের বিশ্বাস আল্লাহ তা’আলা কারো কোন আমল এদের মাধ্যম হয়ে না আসলে কবুল করবেননা; কারণ এরাই হচ্ছে তার কাছে যাওয়ার অসীলা। (নাউজুবিল্লাহ)। এতে করে তারা আল্লাহ তা’আলাকে এমন সব অত্যাচারী বাদশাহদের বিশেষণে বিশেষিত করেছে যারা তাদের প্রাসাদে প্রচুর দারোয়ান নিযুক্ত করে রেখেছে যাতে করে কোন শক্তিশালী মাধ্যম ছাড়া তাদের কাছে পৌঁছা কক্ষনো সম্ভব হয়ে উঠেনা।
তিনঃ যারা স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে মাধ্যম বলতে বুঝেছেন সেই রিসালাতকে যার মানে হলো দ্বীন প্রচার, শিক্ষাদান ও দ্বীনের প্রশিক্ষণ। তারা এই রিসালাতের উচ্চ মর্যাদা এবং এর প্রতি মানব জাতির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছেন। ফলে তারা শরয়ী বিধান লাভের উদ্দেশ্যে এবং ঐশী বাণী বা ওহীর আলোকে আলোকিত হওয়ার জন্য রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বড় মাধ্যম এবং বৃহৎ অসীলা হিসাবে গ্রহণ করেছেন। যেমনিভাবে তারা কুরআন অধ্যয়ন করছেন তেমনিভাবে তারা রাসূলের পবিত্র জীবনী ও তার সুন্নাত অধ্যয়ন করছেন। এতে তাদের শ্লোগান হচ্ছে আল্লাহর বাণীঃ
নিশ্চয়ই তোমাদের কাছে আল্লাহর কাছ থেকে নূর এবং সুস্পষট গ্রন্থ এসেছে, এর দ্বারা যারা আল্লাহর সন্তুষটির পিছনে ধাবিত হয় আল্লাহ তাদেরকে হিদায়াত প্রদান করেন, আর তাদেরকে তাঁর ইচ্ছা মোতাবেক অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে যান, এবং সরল সোজা পথে পরিচালিত করেন । [সূরা আল-মায়িদাহ্: ১৫, ১৬]
এরাই হলো মুক্তি প্রাপ্ত দল যাদের কথা পূর্বোক্ত হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, এবং তাদেরকেই জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে।
ফকির, দরবেশ, কবর, মাজার, ইত্যাদিকে মাধ্যম বানিয়ে আল্লাহকে পেতে যাওয়া খুবই ঘৃণিত, শিরকপূর্ণ একটি কাজ যা অনেক মুসলিম দেশেই মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এই বইটিতে এ ধরনের উসিলা সাব্যস্ত করার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রতিটি মানুষের উপর যা জানা একান্ত কর্তব্য, যা না জানলেই নয়, সেসব মূলনীতি এই পোস্টে উপস্থাপিত হয়েছে। এতে বর্ণিত মূলনীতিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: বান্দার জন্য তার রব সম্পর্ক জ্ঞান; তার রব তাকে কী রকম ইবাদাত পালনের নির্দেশ দিয়েছেন- সে জ্ঞান; দীন সম্পর্কে জ্ঞান; লা ইলাহ ইল্লাল্লাহ এর শর্তাবলি; ইসলাম বিনষ্টকারী বেশ কিছু বিষয়াবলি; তাওহীদ ও এর প্রকারভেদ; তাওহীদের বিপরীতে শির্ক ও এর প্রকারভেদ ইত্যাদি। Continue reading →
কেউ যদি কোন ভাগ্যগণনাকারীর কাছে যায় এবং তার নিকট কোন কিছু জানতে চায়, তবে ঐ ব্যাক্তির সালাত ৪০ দিন এবং রাত পর্যন্ত কবুল হবে না।” (মুসলিম)
এ বিধান শুধুমাত্র একজন ভাগ্যগণনাকারীর নিকট কৌতুহলবশতঃ যাওয়ার জন্য। অবশ্য এরপরও ঐ ব্যক্তিকে ৪০ দিন পর্যন্ত সালাত আদায় করে যেতে হবে, যদিও সে এর সওয়াব পাবে না, তবে সে সালাত আদায় করে ফরয আদায় করার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হয়ে যাবে। তা না করলে সালাত আদায় না করার অপরাধে অপরাধী হতে হবে। কেউ যদি এ কথা বিশ্বাস করে যে ভাগ্যগণনাকারীর নিকট ভবিষ্যতের জ্ঞান রয়েছে, কিংবা অতীন্দ্রিয় (গায়েব) জ্ঞান রয়েছে, Continue reading →
ইসলাম ও শরীয়তবিরোধী কোন প্রবৃত্তির অনুসারীকে প্রবৃত্তির পূজারী বলা হয়েছে। ইবন আব্বাস (রা) বলেছেন, শরীয়া বিরোধী প্রবৃত্তিও এক প্রকার মূর্তি যার পূজা করা হয়। আজকের মুসলিম সমাজে অনেক মুসলিমই নিজের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে থাকে, এবং নিজের মতামতকে অর্থাৎ নিজের কাছে কি মনে হল, তাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। অথচ একজন মু’মিনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই যে সে প্রতিটি বিষয়ের ক্ষেত্রে জানতে সচেষ্ট হয় যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ও তাঁর রাসূল (সা) কি বলেছেন, এবং সে তা জানামাত্র মাথা পেতে গ্রহণ করে নেয়, সেটা তার মন মত হোক বা না হোক, অথচ আমাদের সমাজের কিছু উদ্ধত লোক আছে, যাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কথা শোনানোর পরও তারা নিজেদের মতামতের পক্ষে সাফাই গাইতে থাকে এবং “আমার তা মনে হয় না।”, “আমার মনে হয় এটা ঠিক।” বা “এটা ঠিক না।” এরূপ মন্তব্য করার ধৃষ্টতা দেখায়। এমন মানুষ তার যা মনে হয়, সেই অনুযায়ীই কাজ করে যায় এবং নিজের প্রবৃত্তি মত নিজের ধর্ম বানিয়ে নেয়। ধরা যাক একজন মানুষ খুব নামায পড়ে, কিন্তু যখনই তাকে যাকাতের কথা বলা হয়, সে নানা অজুহাত এবং নিজস্ব মতামত দিতে থাকে, কেননা যাকাতের বিধান তার মনমত হয় নি, অথবা সুদ খাওয়া থেকে তাকে নিষেধ করলে সে আঁতকে ওঠে এবং এই বিধান মানতেই চায় না, বরং নিজ খেয়ালখুশীর অনুসরণ করে। এমন মানুষ কিন্তু আমাদের সমাজে কম নেই, আমাদের আশেপাশেই অনেকে রয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদেরকে সকল প্রকার শিরক থেকে রক্ষা করুন। Continue reading →
অর্থ: আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার নাম এবং গুণাবলীর ক্ষেত্রে তাঁর একত্ব। এর অর্থ হচ্ছে:
১) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার ওপর কেবল সেসকল নাম ও গুণাবলী আরোপ করা যাবে যা আল্লাহ বা তাঁর রাসূল (সা) করেছেন, এক্ষেত্রে এসব নাম এবং গুণাবলীকে ব্যাখ্যা- বিশ্লেষন করার চেষ্টা করা যাবে না কিংবা এগুলোর বাহ্যিক অর্থ ব্যতীত অন্য কোন অর্থ খোঁজা যাবে না। যেমন কুরআনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁর ক্রোধের কথা উল্লেখ করেছেন:
“… আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষুদ্ধ, তাদেরকে অভিসম্পাত করেন, এবং তাদের জন্য মন্দ পরিণতি প্রস্তুত রেখেছেন।” (সূরা আল ফাতহ, ৪৮ : ৬)
এ আয়াত থেকে এটুকুই বুঝতে হবে যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ক্ষুদ্ধ হন। তবে তাঁর ক্রোধকে মানুষের ক্রোধের সাথে তুলনা করা যাবে না কেননা: Continue reading →
বর্তমানে বাঙালী মুসলিম সমাজে তাওহীদের ধারণা শুধুই একটি থিওরি বলা চলে। শিক্ষিত সমাজের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই যে স্কুল পর্যায়ে ছোটবেলা থেকেই ছাত্রছাত্রীরা তোতাপাখির মত তাওহীদের সংজ্ঞা মুখস্থ করতে থাকে। সাধারণতঃ দেখা যায় যে প্রতি ক্লাসেই মোটামুটি বই মুখস্থে’র এই করুণ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। অপরদিকে অশিক্ষিত মানুষের তো সে সংজ্ঞাও জানা নেই। তবে এই উভয় ক্ষেত্রেই যে ব্যাপারটি অনুপস্থিত, তা হচ্ছে জীবনে তাওহীদের বাস্তবিক প্রয়োগ। Continue reading →