সাক্ষ্যপ্রমাণের গুরুত্ব

পর্ব ১: ইসলাম : একটি ধারণা ! পর্ব ২ : সংঘাত অথবা সংঘাত নয়? পর্ব ৩ : মৌলবাদীদের অদ্ভুত ব্যাপার পর্ব ৪ : এ সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই! শেখ আবদুর রহিম গ্রীন আল্লাহ কুরআনে সাধারণভাবে সমগ্র মানবজাতির প্রতি এবং বিশেষভাবে … Continue reading

এ সম্পর্কে কোন সন্দেহ নেই!

তাহলে কি সেই প্রমাণ যা ইসলাম দৃঢ় প্রত্যয় উৎপাদনকারী হিসাবে উপস্থাপন করে? প্রথম বিচার্য বিষয় হচ্ছে বিশুদ্ধতা। পাঠ্যাংশের বিশুদ্ধতা সমগ্র “ভাণ্ডারের” মমার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ একবার যদি কোন পাঠ্যাংশ কোন তাত্ত্বিক বা রাজনৈতিক যুক্তিযুক্ততা সিদ্ধ করার জন্য বিকৃত বা পরিবর্তিত করা হয়, এবং যদি বিকৃতি থেকে বিশুদ্ধকে পৃথক করার কোন নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি না থাকে, তাহলে পাঠ্যাংশে এমন কোন অনুচ্ছেদ পাওয়া যাবে না যা প্রশ্নাতীত। বিশুদ্ধ ও সংরক্ষিত বিষয়বস’র ক্ষেত্রে এটা ততটা সহজ নয়। খৃষ্টান মৌলবাদীরা এটা ভালই জানে। যদি এটা “আল্লাহর বাণী” না হয়, তবে পথ নির্দেশনা হিসাবে এর কোন মূল্য আছে জ্ঞানের সংকলন হওয়া ব্যতীত? খুব কমসংখ্যক সত্যিকার পণ্ডিত লোকই, এমনকি ইসলামের প্রতিপক্ষের মধ্যে থেকেও, কুরআনের ঐতিহাসিক বিশুদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক করার প্রয়াস পেয়েছেন। আসলে এটা একটা অর্থহীন পণ্ডশ্রম ছাড়া আর কিছুই হবে না, কারণ যে কেউ প্রাক্তন সোভিয়েট ইউনিয়নের তাশখন্দে ভ্রমণ করতে প্রস্তুত থাকবে, সেখানে নবী (সঃ) এঁর সাহাবী কুরআনের লেখক জায়েদ ইবনে সাবিত এর স্বহস্তে লিখিত কুরআনের সম্পূর্ণ কপি দেখতে পাবে, যা নবী (সঃ) এঁর মৃত্যুর দুবছরের মধ্যে প্রথম খলিফা আবু বকরের আদেশে লেখা হয়েছিল। তাশখন্দের পাণ্ডুলিপিটি জায়েদের লেখা প্রথম পাণ্ডুলিপির নকল, যা জায়েদেরই নিজের হাতে করা Continue reading

ইসলাম : একটি ধারণা !

This gallery contains 1 photo.

আমি ‘দি ইকোনমিস্ট’ ম্যাগাজিনের জরিপের বিষয়বস্তু ‘ইসলাম এবং পশ্চিম’ (আগস্ট ৬, ১৯৯৪ সংখ্যা, বড় আকারে সন্নিবেশিত) সম্পর্কে বিশেষভাবে বিবেচনার পর সমালোচনা লিখতে শুরু করেছি, এবং নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্বোত্তম সাহায্যকারী। নোয়াম চমস্কি যাকে “বানানো সম্মতি” বলছেন, ব্রায়ান ব্রিডহ্যামের পক্ষে তার উপর নির্ভর করা সম্ভব। যেক্ষেত্রে একনায়কতন্ত্র লোকের সম্মতি আদায় করতে ও বিরোধিতা ঠেকাতে শক্তি প্রয়োগ করে, সেখানে “গণতন্ত্র” প্রচার মাধ্যমকে বিশেষ বিশ্বব্যবস’ার দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করে সম্মতি তৈরী করতে ব্যবহার করে থাকে। যা কমবেশী শাসকগোষ্ঠীর স্বার্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। ছোট, সংক্ষিপ্ত আকারের একটি প্রবন্ধ লিখে সে পার পেয়ে যেতে পারে, কারণ তাকে তার অধিকাংশ বক্তব্যই প্রমাণ করতে হয় না, তাকে শুধু জোড়া দেওয়া, প্রচলিত মামুলি মন্তব্যসমূহের পুনরাবৃত্তি করতে হয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, যখন তিনি আলজেরীয় মুসলিমদের “একদল ইসলামী বিদ্রোহী যারা আপোষহীনতার বৈশিষ্ট্যসূচক, সবচেয়ে নিষ্ঠুর প্রকৃতির মৌলবাদী” হিসাবে বর্ণনা করেন, তাঁকে সেটা প্রমাণ করতে হয় না, কারণ কর্তৃপক্ষ এটা ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করেছে যে এটাই সত্য বলে লোকে বিশ্বাস করবে। আসলে বিবৃতিটি মোটেও সত্য নয়। আলজেরীয় মৌলবাদীরা প্রমাণ করেছে যে তারা নির্বাচন করতে এবং ইসলামী শরীয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠার শান্তিপূর্ণ উপায় খুঁজে পেতে ইচ্ছুক। সামপ্রতিক ঘটনাবলী, যেমন রোমে “বিদ্রোহী মৌলবাদী”দের অন্তর্ভুক্ত Continue reading